Cvoice24.com

তিন সংস্থার অভিযানেও দ্বিতীয় দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ তিন শিশুর

সিভয়েস প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২২
তিন সংস্থার অভিযানেও দ্বিতীয় দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ তিন শিশুর

সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ঘাট। ফাইল ছবি

‘অ্যার মাইয়া কই, অ্যাই নদীতে নামি যামু। ও আদিবা, ও আরিফা কডে গেছেরে..., ও আনিকা রে...। ওত ওত আছে ইয়ান দি চান’— সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ঘাটে জেটির কোনায় বসে এভাবেই আহাজারি করছিলেন তিন সন্তান হারা মা স্বপ্না বেগম। গত ২০ এপ্রিল সকালে ২২ জন যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে সন্দ্বীপ যাওয়ার পথে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় তিন সন্তানকে হারান এই মা। বড় মেয়ের মরদেহ খুঁজে পেলেও এখনো নিখোঁজ রয়েছে স্বপ্না বেগমের যমজ দুই মেয়েসহ তিন শিশু। হাত দিয়ে দুর্ঘটনাস্থল দেখিয়ে চিৎকার করে কেবল চোখের জল ফেলছেন। সবাই খুঁজতেছে বলেও শান্ত করা যাচ্ছিলো না এই মাকে।

ঘটনার ৩৮ ঘন্টা কেটে গেলেও তবে আনিকার দুই জমজ বোন আট বছর বয়সী আদিবা ও আলিফার কোনো খোঁজ এখনও মেলেনি। এছাড়া মনির হোসেন (১০) নামের আরও এক শিশুরও খোঁজ পাওয়া যায়নি। দ্বিতীয় দিনের মতো সন্ধ্যা ৬টায় অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেছেন সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সম্রাট খীসা। 

এ প্রসঙ্গে সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সম্রাট খীসা বৃহস্পতিবার রাত ১১টা দিকে সিভয়েসকে বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড ও নৌ বাহিনী উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান চলমান ছিল কিন্তু তাদের এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। আজকের মত অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেছি। আগামীকাল সকালে আবার অভিযান চলবে।’

গুপ্তছড়া ঘাটের ইজারাদার মো. আনোয়ার জানিয়েছেন, ২০ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সীতাকুণ্ড থেকে সন্দ্বীপের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া একটি স্পিডবোট কালবৈশাখীর কবলে পড়ে ডুবে যাওয়ার সময় স্পিডবোটটিতে ২০ জন যাত্রী ছিল। এর মধ্যে ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। দুর্ঘটনার পর আনিকা নামের একটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এদিকে, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত একটা মামলা হয়নি বলে জানা গেছে।

Add

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়