Cvoice24.com
corona-awareness

মধ্যরাতে সীতাকুণ্ডে ১৮টি বাস জব্দ হাইওয়ে পুলিশের

সিভয়েস প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৪:৫৭, ১০ মে ২০২১
মধ্যরাতে সীতাকুণ্ডে ১৮টি বাস জব্দ হাইওয়ে পুলিশের

৯ মে রবিবার রাতে প্রকাশিত প্রতিবেদন।

দেশে করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের কারণে গত ১৪ এপ্রিল থেকে দেশের সব দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রাখে সরকার। সিটির মধ্যে গণপরিবহন চলাচলে অনুমতি দিলেও দূরপাল্লার বাস চলাচলে সেই অনুমতি মিলেনি। এরপরও সরকারি নির্দেশ অমান্য করে চট্টগ্রাম থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় রাতের আঁধারে চলাচল করছিল দূরপাল্লার বাস। বিষয়টি তুলে ধরে  “পুলিশকে ‘ম্যানেজ’ করেই রাতের আঁধারে চট্টগ্রাম ছাড়ছে দূরপাল্লার বাস” শিরোনামে সরেজিমন সচিত্র সংবাদ প্রকাশ করে  চট্টগ্রামের পাঠক প্রিয় নিউজ পোর্টাল সিভয়েসটুয়েন্টিফোরডটকম। 

রবিবার (৯ মে) রাত ৮টার দিকে সিভয়েসের প্রধান সংবাদ হিসেবে এ সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার ঘণ্টা তিন-চারেকের মধ্যেই পাল্টে যায় চিরচেনা সেই পুলিশি আচরণ। পরিবহন শ্রমিকরা যাদের ‘ম্যানেজ’ করেই এতো দিন শাঁ শাঁ করে মহাসড়ক দিয়ে বাসগুলো চালাতেন। রবিবার মধ্যরাত থেকে বাধ সাধে সেই হাইওয়ে পুলিশ। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বারআউলিয়া এলাকায় চেক পোস্ট বসিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যাওয়া ১৮টি বাসের যাত্রা আটকে দেয় হাইওয়ে পুলিশ। শুধু যাত্রা আটকে দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি রীতিমত সব গাড়িকেই থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং মামলা দেওয়া হয় ১৪ বাসের বিরুদ্ধে। আর বাসযাত্রীদের মাঝপথেই নামিয়ে দেওয়া হয় অবৈধভাবে লকডাউন না মেনে বাসে করে যাত্রা করায়। 

বার আউলিয়া হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর নজরুল ইসলাম সিভয়েসকে বলেন, `ঈদে ঘরমুখো মানুষের প্রয়োজনকে পুঁজি করে রাতেরবেলা কিছু অসাধু বাস চালক পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে চট্টগ্রাম ছেড়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাদের এই তৎপরতা ঠেকাতে চেকপোস্ট বসানো হয়। এসময় যাত্রী নামিয়ে দিয়ে ১৮টি বাস জব্দ করে থানায় নেওয়া হয় ও ১৪টি বাসের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে।’

এরআগে সিভয়েসে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছিল— প্রতিদিনই চট্টগ্রাম থেকে বাস ছেড়ে যাচ্ছে ঢাকা, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। ট্রাফিক ও হাইওয়ে পুলিশকে ‘ম্যানেজ’ করেই প্রতিরাতে সব আসন পূর্ণ করে বাসগুলো চলাচল করছে— এমনটাই জানিয়েছে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। অন্যদিকে দেশের যেকোন প্রান্তে যেতে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়ের অভিযোগ যাত্রীদের।

শনিবার (৮ মে) রাত ১০ টার পর নগরের এ কে খান মোড় ও গরীবুল্লাহ শাহ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ কাউন্টার বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে আশপাশে ঘুরছেন টিকিট বিক্রেতারা। যাত্রী পেতে বাস সংশ্লিষ্টরাও নানা কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছেন। বাসের সামনে ‘অতি জরুরি বিদেশগামী বিমানযাত্রী’ ‘বিদেশগামী যাত্রী পরিবহন’ ‘পুলিশ’ ইত্যাদি স্টিকার লাগিয়ে দেদারসে করছে যাত্রী পরিবহন। 

এছাড়াও দেখা গেছে, নগরের এ কে খান মোড়ে রাস্তার বিভিন্ন পাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা হয়েছে বাস। টিকিট কেটেই যাত্রী সরাসরি উঠে যাচ্ছেন বাসে। যারা গরীবুল্লাহ শাহ থেকে টিকিট কাটছেন, তাদেরকে মাইক্রোবাসে করে এ কে খান পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। তাছাড়া বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কারের পাশাপাশি ট্রাক, পিকআপেও চট্টগ্রাম ছাড়ছে অসংখ্য মানুষ।

Add

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়