Cvoice24.com

পরীর পাহাড়কে প্রত্নসম্পদ হিসেবে সংরক্ষণসহ ৫ দফা দাবি

সিভয়েস প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২:৩২, ৯ নভেম্বর ২০২১
পরীর পাহাড়কে প্রত্নসম্পদ হিসেবে সংরক্ষণসহ ৫ দফা দাবি

পরীর পাহাড়কে প্রত্নসম্পদ হিসেবে সংরক্ষণসহ ৫ দফা দাবি।

চট্টগ্রাম নগরের পরীর পাহাড়কে প্রত্নসম্পদ হিসেবে সংরক্ষণসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম ইতিহাস সংস্কৃতি গবেষণা কেন্দ্র। আজ মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন থেকে এসব দাবি জানানো হয়।

৫ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— পরীর পাহাড়ের ১৩০ বছরের ঐতিহাসিক স্থাপনা প্রত্নসম্পদ হিসেবে সংরক্ষণ, কর্ণফুলী নদী তীরবর্তী এলাকায় প্রস্তাবিত প্রশাসনিক কমপ্লেক্সের পাশাপাশি বিচারিক কার্যক্রমের জন্য সেখানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি করে পরীর পাহাড়কে ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সংরক্ষণ করা, পাহাড়ের ঢালে নির্মিত অগ্নি ও ভূমিকম্প ঝুঁকিতে থাকা ভবন ভেঙে ফেলা, ভূতাত্ত্বিক জরিপ করে পুরো এলাকার অবৈধ সরকারি বেসরকারি স্থাপন সরিয়ে লাল ভবনটি (আদালত ভবন) সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেয়া এবং পুরো পরীর পাহাড়কে প্রত্ন সম্পদ আইনে সংরক্ষণ ও লাল ভবনটিকে হেরিটেজ ঘোষণা করা।

সংবাদ সম্মেলনে অনলাইনে যুক্ত হয়ে গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কক্সবাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. আবুল কাসেম বলেন, ‘সাতশ বছরের ইতিহাস সমৃদ্ধ পরীর পাহাড়। এই সমৃদ্ধ ইতিহাস ও প্রত্ন নিদর্শন দেশের সম্পদ। চট্টগ্রাম তথা দেশের ঐতিহ্য সমৃদ্ধ করতে তা সংরক্ষণের বিকল্প নেই। পরীর পাহাড়কে প্রত্ন সম্পদ করার সরকারি উদ্যোগকে আমরা অভিনন্দন জানাই।’

লিখিত বক্তব্যে সংগঠনটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মনোজ কুমার দেব বলেন, ‘১২০ বছর আগে চৌধুরী পূর্ণচন্দ্র তত্ত্বনিধি রচিত ‘চট্টগ্রামের ইতিহাস’ গ্রন্থে পরীর পাহাড়ের নামকরণ ও কাচারি ভবন স্থাপনের ইতিবৃত্ত লিখে গেছেন। পরবর্তীতে সুনীতিভূষন কানুনগো, আবদুল হক চৌধুরী পরীর পাহাড় নিয়ে বিস্তারিত লিখে গেছেন।

সংগঠনের সভাপতি আলীউর রহমান বলেন, ‘২০০০ সালে পরীর পাহাড়ের আদালত ভবনকে প্রত্নসম্পদ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ২১ বছর পরে এসে পরীর পাহাড় নিয়ে বিতর্কের সুযোগ নাই।’

সংবাদ সম্মেলনে বিএফইউজে যুগ্ম মহাসচিব মহসীন কাজী বলেন, ‘শত শত বছরের ইতিহাস পরিবর্তনের অধিকার কারো নেই। পরীর পাহাড় সংরক্ষণে তিন শতাধিক অবৈধ স্থাপনার সরানো জরুরি। পাহাড়ের কিনারায় স্থাপিত বহুতল ভবনগুলোর ভূতাত্ত্বিক জরিপ জরুরি। এই ভবনের যে কোন একটি ধসে পড়লে বাংলাদেশ ব্যাংক, সিডিএ ভবন ধ্বংস স্তুপে পরিণত হবে। কিংবদন্তির পরীর পাহাড়কে প্রত্ন সম্পদ হিসাবে সংরক্ষণ করা না হলে ২০০১ সালের মতো সর্বস্তরের জনগণকে নিয়ে আমরা আন্দোলনে নামব।’

Add

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়