Cvoice24.com

পিবিআইয়ের মুখোমুখি হচ্ছেন নাসিরের স্ত্রী তামিমা 

সিভয়েস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫:৫৭, ৬ মার্চ ২০২১
পিবিআইয়ের মুখোমুখি হচ্ছেন নাসিরের স্ত্রী তামিমা 

পিবিআইয়ের মুখোমুখি হচ্ছেন নাসিরের স্ত্রী তামিমা।

ডিভোর্স দেওয়ার পরও পাসপোর্টে আগের স্বামী রাকিব হাসানের নাম ব্যবহার করেছেন ক্রিকেটার নাসির হোসেনের স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি। ফলে তামিমার পাসপোর্ট ও ডিভোর্স পেপারের তথ্যের মাঝে গরমিলের সৃষ্টি হয়েছে। এটা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।

ডিভোর্সের পরও তামিমা কেন স্বামী হিসেবে রাকিবের নাম লিখেছেন, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ব্যস্ত রাকিবের দায়ের করা মামলার তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)। এ জন্য শিগগির তামিমাকে পুলিশের জেরার মুখোমুখি হতে হবে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলনে তামিমা যে কাগজ দিয়েছেন তাতে দেখা যায়, তিনি ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর রাকিব হাসানকে ‘স্ত্রী কর্তৃক তালাক নোটিশ’ দিয়েছেন। কিন্তু পুলিশ বলছে—২০১৮ সালের পাসপোর্ট আবেদনে স্বামী হিসেবে তিনি রাকিবের নামই উল্লেখ করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাকিবকে তালাক দেওয়ার দিন-তারিখের সঙ্গে তামিমার ব্যক্তিগত তথ্যের গরমিল পেয়েছে পুলিশ। ডিভোর্সের এক বছর পরও স্বামীর নাম রাকিব হাসান লিখেছেন তামিমা।

এখন পর্যন্ত গণমাধ্যমে তামিমা তার আগের স্বামীকে তালাক প্রসঙ্গে যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, তার সঙ্গে পাসপোর্টের তথ্য কোনোভাবেই মিলছে না। ফলে এখানে তালাকের বিষয়টি নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। দুটি তথ্য সঠিক হওয়ার সুযোগ নেই। পাসপোর্টে দেওয়া তথ্য সঠিক হলে তালাক সংক্রান্ত তথ্য অসত্য। আবার যদি তালাক দেওয়াকে সঠিক ধরে নেওয়া হয়, তাহলে পাসপোর্টে অসত্য তথ্য দেওয়ার কারণে তার পাসপোর্ট বাতিলসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগও থেকে যাচ্ছে।

জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি উত্তরা অফিসে পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন করেন তামিমা। তার আবেদন নম্বর ২৬০২০০০০০৬৬১২০০। আবেদনে তিনি ব্যক্তিগত তথ্যের স্থানে পিতা ও মাতার নামের পর স্বামী হিসেবে রাকিব হাসানের নাম লিখেছেন। এমনকি পাসপোর্টের আবেদনে জরুরি যোগাযোগের জন্য তিনি রাকিবের নাম এবং মোবাইল নম্বরও যুক্ত করেন। ২০১৮ সালের ১১ মার্চ তাকে পাসপোর্ট দেওয়া হয়। যার মেয়াদ রয়েছে ২০২৩ সালের ৩ মার্চ পর্যন্ত।

পাসপোর্টে স্বামী হিসেবে রাকিবের নাম উল্লেখ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নাসির-তামিমার আইনজীবী ব্যারিস্টার আসিফ বিন আনোয়ার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তামিমার পাসপোর্টে তথ্যের যে গরমিলের কথা বলা হচ্ছে তা এখনো আমি দেখিনি। এটা দেখার পর মন্তব্য করতে পারব। একই সঙ্গে আদালতকেও জানাতেও পারব।’

উল্লেখ্য, ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে বিয়ে করেন ক্রিকেটার নাসির হোসেন। ১৭ ফেব্রুয়ারি হলুদ সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ২০ ফেব্রুয়ারি তাদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এমন পরিস্থিতিতে অভিযোগ ওঠে, স্বামী রাকিবকে তালাক না দিয়েই ক্রিকেটার নাসিরের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন স্ত্রী তামিমা সুলতানা।

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে রাইসা ইসলাম বাবুনি নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারীর একটি পোস্ট ভাইরাল হয়। যেখানে তামিমার স্বামী রাকিবের পক্ষে দাবি করা হয়েছে, এখনো তাদের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক রয়েছে। তাদের ঘরে রয়েছে আট বছরের একটি মেয়েসন্তানও। তালাক না দিয়ে নতুন বিয়ে করায় তামিমার বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন রাকিব।

Add

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়