Cvoice24.com

তীব্র গরমে অতিষ্ঠ পাহাড়ের জনজীবন

রাঙামাটি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৬:১২, ৫ জুন ২০২৩
তীব্র গরমে অতিষ্ঠ পাহাড়ের জনজীবন

গরমের তীব্রতা থেকে রক্ষা পেতে গাছতলায় আশ্রয় নিয়েছে শ্রমজীবী মানুষ

গ্রীষ্মের টানা তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে পাহাড়ি জেলা রাঙামাটির জনজীবন। টানা দশ দিনেরও অধিক সময় ধরে চলছে গরমের তীব্রতা। এতে স্বাভাবিক কাজ কর্ম করতে না পাড়ায় বিপাকে পড়েছে পাহাড়ের শ্রমজীবী মানুষ। যে কারণে দিন দিন কমছে তাদের আয় রোজগার। তবে তীব্র তাপদাহ উপেক্ষা করে যারাই কাজে বেড়িয়েছেন তাদের অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন বিভিন্ন ব্যাধিতে। ফলে হাসপাতালে বেড়েছে রোগীর চাপ। 

সরেজমিনের দেখা গেছে, রোদের তীব্রতার কারণে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ। যে কারণে দোকানীদের অবসর সময় কাটাতে হচ্ছে। যানবাহনগুলো লাইন ধরে ঠায় দাঁড়িয়ে থেকেও যাত্রীর দেখা মিলছে না। 

আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে, সোমবার রাঙামাটিতে তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস । এই মৃদু তাপ প্রবাহ আগামী আরো এক সপ্তাহ চলতে পারে বলে জানিয়েছেন রাঙামাটি আবহাওয়া অফিস। 

রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তীব্র গরমের কারণে নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের বহির্বিভাগে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন। তবে বেশিরভাগ রোগীই পাহাড়ি এলাকার হওয়ায় তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

কলেজ শিক্ষার্থী অদ্রিদ দে জানিয়েছেন, তীব্র গরমে আমরা অতিষ্ঠ। ঠিকমত পড়া লেখা করতে পারছি না, কলেজে যেতে পারছি না। তার উপর দিনের বেশির ভাগ সময় বিদ্যুৎ থাকে না।

রাজমিস্ত্রি বাবু জানান, তীব্র গরমে দুই তিনদিন কাজ করার পর আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। তারপর দুইদিন চিকিৎসা নেওয়ার পর সুস্থ হয়েছি। এই তীব্র গরমে কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। এতে আয়ও কমে যাচ্ছে আমাদের।

রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শওকত আকবর জানিয়েছেন, হাসপাতালে গরম ও ঋতু পরিবর্তনের কারণে বহিবিভাগে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরামর্শ দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমরা গরমে বেশি বেশি পানি ও পানীয় খাবার পান করার পরামর্শ দিচ্ছি।

সর্বশেষ