Cvoice24.com
corona-awareness

জলাবদ্ধতা কেন— তার কারণ জানাতে হবে তিন সংস্থাকে

সিভয়েস প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬:১৩, ১০ জুন ২০২১
জলাবদ্ধতা কেন— তার কারণ জানাতে হবে তিন সংস্থাকে

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে ১০ হাজার ৯২১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪টি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। প্রায় তিন বছর ধরে সরকারের তিন সংস্থার মাধ্যমে এ চারটি প্রকল্পের কাজের বড় প্রকল্পটিতে যুক্ত করা হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রকৌশল ব্রিগেডকেও। এরপরও বর্ষা আসার আগেই মাত্র ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিতে গত ৬ জুন পুরো নগরের অধিকাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যায়। নগরের প্রধান সড়কটির বহদ্দারহাট থেকে দুই নম্বর গেট এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। নেট দুনিয়ার পাশাপাশি গণমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। 

বিষয়টি এড়িয়ে যায়নি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েরও। এতো টাকা খরচ করার পরও কেন নগরজুড়ে জলাবদ্ধতা আর জলবদ্ধতায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে তার কারণ জানতে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সব সংস্থাকে নিয়ে এক টেবিলে বসতে চায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। আগামী বুধবার (১৬ জুন) জলাবদ্ধতা নিরসনে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিয়ে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে এক সভা হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস। সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেবেন। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক-৩ মুহাম্মদ শাহীন ইমরান স্বাক্ষরিত সভার নোটিশে বলা হয়, ‘চট্টগ্রাম নগরের প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিবেরা অংশ নেবেন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রকল্প পরিচালকদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়।’

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে ১০ হাজার ৯২১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪টি প্রকল্পের কাজ চলছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) দুটি, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন একটি এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। সিডিএর একটি প্রকল্প সরাসরি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রকৌশল বিভাগ। বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ে প্রকল্পের কাজ চললেও তার কোনো সুফল পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ জনপ্রতিনিধি, নগর পরিকল্পনাবিদদের। 

Add

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়