Cvoice24.com
corona-awareness

মন্ত্রণালয়ের ‘প্রেশার’/ কোরবানি বর্জ্য অপসারণে চসিকের তিন হট লাইন

সিভয়েস প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:২৯, ১৯ জুলাই ২০২১
মন্ত্রণালয়ের ‘প্রেশার’/ কোরবানি বর্জ্য অপসারণে চসিকের তিন হট লাইন

চট্টগ্রাম গত বছরগুলোতে কোরবানি বর্জ্য দ্রুত অপসারণের সফলতা দেখিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর কোরবানি বর্জ্য অপসারণে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানানো হয়েছে চসিকের পক্ষ থেকে। তার জন্য দু’দিন আগে দু’টি হটলাইন চালু করেছিল চসিক। তবে এখন নগরে বর্জ্য অপসারণের এ কাজে বিশেষ নজরদারী রাখা হবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকেও। এজন্য এ দু’টি হটলাইনের পাশাপাশি এবার চসিকের উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তার ফোন নাম্বার সরাসরি যুক্ত করা হয়েছে চসিকের হটলাইনে।

চসিকের এ ৩টি হটলাইন হলো- 031-633649 (দামপাড়া) , 031-630739 (দামপাড়া), 01675218485 (উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা)

এদিকে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চট্টগ্রামে এবারের বাজারে সম্ভাব্য কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৮ লাখ ৯ হাজার। এ কোরবানিদাতার মধ্যে বড় একটি অংশ কোরবানি পালন করছেন চট্টগ্রাম নগরে। কাজেই কোরবানকে কেন্দ্র করে বেশ বর্জ্য তৈরী হবে নগরে। সেই  বর্জ্য অপসারণে নিজেদের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানানো হয়েছে চসিকের পক্ষ থেকে।

চসিকের কর্মকর্তারা জানান, এবারের কোরবানি বর্জ্য অপসারণের বিষয়টি তদারকি করবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। ভিডিও-মুঠোফোনে সার্বক্ষণিক সব বিষয় নজরদারী করবে মন্ত্রণালয়ের সচিব।

চসিকের উপপ্রধান কর্মকর্তা মোর্শেদুল আলম চৌধুরী সিভয়েসকে বলেন ‘এবার মন্ত্রণালয়ের সচিব মহোদয় নগরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজ তদারকি করবেন।’

চসিকের ৩টি হটলাইন নাম্বারে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়ে তিনি সিভয়েসকে বলেন, ‘এখানে দু’টি নাম্বার দামাপাড়া কার্যালয়ের এবং একটি নাম্বার আমার। কোরবানি বর্জ্য দেখে কেউ ফোন দিলে আমি সরাসরি তা অপসারণের ব্যবস্থা নিব। এ কাজে আপনাদের (গণমাধ্যম) এবং নগরবাসীর সহযোগিতা আবশ্যক।’

এদিকে কোরবানি বর্জ্যে যেন পরিবেশ দূষিত না হয় তার দিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখা অনুরোধ জানিয়েছেন চসিক মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘কোরবানির পরে আমাদের পরিবেশ যাতে দূষিত না হয় এবং কোরবানির পবিত্রতা নষ্ট না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখুন। সুন্দর পরিবশ রক্ষা করে ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করুন।’

কোরবানকে কেন্দ্র করে নগরকে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর রাখতে জরুরী কিছু নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি। এক ভিডিও বার্তায় মেয়র রেজাউল বলেন, ‘পশু জবাইয়ের পর গর্তের মধ্যে রক্ত, গোবর ও পরিত্যক্ত অংশ পুঁতে রাখুন। জবাইকৃত পশুর উচ্ছিষ্টাংশ নিকটতম ডাস্টবিনে ফেলুন। জবাইকৃত পশুর রক্ত ও অপ্রয়োজনীয় অংশ নালা-নর্দমা কিংবা যেখানে-সেখানে ফেলবেন না। এতে পরিবশ দূষিত হয়, মশা-মাছির বংশ বৃদ্ধি পায় এবং মারাত্মক রোগ ছড়ায়।’

এ সময় মেয়র রেজাউল জানান, সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নগরীর ৩০৪ টি স্থানে পশু কোরবানীর জন্য ত্রিপল টাঙ্গানো থাকবে, ইমাম সাহেব থাকবে, কোরবানিদাতার বসার ব্যবস্থা, পানি সরবরাহ এবং ব্লিচিং পাউডার মজুদ থাকবে। নগরবাসীর কাছে পরামর্শ থাকবে সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানী দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করুন।

নগরবাসীকে বলছি, ‘আমরা কোরবানীর দিন ৮- ১০ ঘণ্টার মধ্যে পশুর বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নিয়ে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। পশুর বর্জ্য অপসারণে এদিন ৩৩০ টি যানবাহন নিয়োজিত থাকবে। নগরজুড়ে কাজ করবে সাড়ে ৪ হাজার পরিচ্ছন্ন কর্মী বা সেবক। নির্ধারিত সময়ের পরেও নগরীর কোথাও ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখলে আমাদের দামপাড়া অফিসে একটি কন্ট্রোল রুমে জানাতে পারবেন।’

সিভয়েস/এপি

Add

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়