Cvoice24.com

বন্দরের ৪৪২ কনটেইনার পণ্য নিলামে

সিভয়েস২৪ প্রতিবেদক
১৪:১৭, ২৪ আগস্ট ২০২৬
বন্দরের ৪৪২ কনটেইনার পণ্য নিলামে

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ৪৪২ কনটেইনার পণ্য ই-অকশনের মাধ্যমে নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের কনটেইনার জট কমানো, সক্ষমতা ও কর্ম উপযোগিতা বাড়ানো এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে এসব পণ্য নিলামে তোলা হচ্ছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।

কাস্টমসের আগস্ট মাসের নিলাম কার্যক্রমে দুটি ই-অকশনের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে। এর মধ্যে বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এ ১০১ লটে ২৯০ কনটেইনার এবং ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এ ১০৯ লটে ১৫২ কনটেইনার রয়েছে।

বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এর ২৯০ কনটেইনারে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ, প্লাস্টিক বর্জ্য, চেস্ট ফ্রিজার, পাইপ, সুতা, কাপড়, সৌর মডিউল, বিভিন্ন ধরনের লবণ, কাগজ, টাইলস ও গৃহস্থালি পণ্য রয়েছে।

এ নিলামে ৮৬টি পুরোনো খালি কনটেইনারও রাখা হয়েছে। এসব পণ্যের ক্ষেত্রে কোনো সংরক্ষিত মূল্য রাখা হয়নি।

অন্যদিকে, ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এর ১৫২ কনটেইনারে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ক্যাপিটাল মেশিনারি, ফেব্রিক্স, পিভিসি ফ্লেক্স ব্যানার, কেমিক্যাল, এসির যন্ত্রাংশ, টাইলস, স্টেইনলেস স্টিল কয়েল, স্ক্যানার, ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট, এলিভেটর ও লবনসহ বিভিন্ন পণ্য।

কাস্টমস হাউস জানিয়েছে, পুরো নিলাম কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এর পণ্য ৩০ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর এবং বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এর পণ্য ৩০ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অফিস চলাকালে সরেজমিনে পরিদর্শন করা যাবে।

আগ্রহী ক্রেতারা ২৭ আগস্ট থেকে অনলাইনে দরপত্র দাখিল করতে পারবেন।

ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এর দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা এবং বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এর শেষ সময় ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা।

অনলাইন বিডিংয়ের সময় প্রস্তাবিত দর মূল্যের ন্যূনতম ১০ শতাংশ জামানতের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে। সর্বোচ্চ দরদাতাদের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪-এর প্রযোজ্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পণ্য খালাস নিতে হবে।

ই-অকশন নম্বর-০৯/২০২৬-এর দরপত্র ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টায় এবং বিশেষ ই-অকশন নম্বর-১০/২০২৬-এর দরপত্র ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় উন্মুক্ত করা হবে।

কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, ই-অকশনের মাধ্যমে বন্দরে পড়ে থাকা অখালাসকৃত ও নিলামযোগ্য পণ্য দ্রুত নিষ্পত্তির পাশাপাশি কনটেইনার জট কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে বন্দরের ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।