Cvoice24.com

মন্ত্রিসভার আলোচনায় খসরু-হেলাল

সিভয়েস২৪ প্রতিবেদক
১৬:১০, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মন্ত্রিসভার আলোচনায় খসরু-হেলাল

তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পাওয়ার পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নতুন মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রাম থেকে কারা স্থান পাচ্ছেন—এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে জোর আলোচনা।  বিএনপির একাধিক নেতার মতে, সম্ভাব্য তালিকায় সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম–১১ আসন থেকে নির্বাচিত আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে আন্দোলন–সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং কারাবরণের অভিজ্ঞতা তাকে নেতৃত্বের আস্থার জায়গায় রেখেছে। অতীতে বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেতা নতুন মন্ত্রিসভায় শিল্প অথবা শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম–৫ আসন থেকে নির্বাচিত ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের নামও সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা সদস্য হিসেবে ঘুরছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ–সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দলীয় কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় ভূমিকা এবং নির্বাচনী জয়ের ব্যবধান তাকে আলোচনায় এনেছে। গুরুত্বপূর্ণ কোনো মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন বলে ধারণা করছেন দলীয় নেতারা।

চট্টগ্রাম–৪ আসনের নির্বাচিত লায়ন আসলাম চৌধুরীর নামও শুরুতে আলোচনায় থাকলেও চলমান মামলার কারণে তার মন্ত্রিত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা কম বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা।

এ ছাড়া রাউজান থেকে নির্বাচিত গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম–৯ আসনের আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম–৮ আসনের এরশাদ উল্লাহ এবং তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে রাঙ্গুনিয়ার হুমাম কাদের কাদের চৌধুরী ও চট্টগ্রাম–১০-এর সাঈদ আল নোমানের নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে দলীয় সূত্র জানায়, এবার মন্ত্রিসভার আকার ছোট হতে পারে। সে ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম থেকে সীমিতসংখ্যক সদস্যই সুযোগ পেতে পারেন।

এর আগে, ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপি–জামায়াত জোট সরকারে চট্টগ্রাম থেকে পূর্ণমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও মন্ত্রী পদমর্যাদায় মোট আটজন স্থান পেয়েছিলেন। এবারও চট্টগ্রাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও আগের মতো বড় প্রতিনিধিত্ব নাও হতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে ২৯৭ আসনের ফল ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে বিএনপি ২০৯ এবং জামায়াত ৬৮ আসনে জয়ী হয়েছে। সরকারপক্ষ জানিয়েছে, ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ এবং ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন হতে পারে। সর্বাধিক আসন পাওয়ায় বিএনপির সংসদ নেতা নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন।

চট্টগ্রাম (মহানগর, উত্তর, দক্ষিণ) সব খবর