পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর
শহীদ সেনাকর্মকর্তাদের কবরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
সিভয়েস২৪ ডেস্ক
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনাসদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বনানীস্থ সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সকাল ১০টার দিকে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী বনানী সামরিক কবরস্থানে বীর শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। প্রথমে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর সম্মান জানান।
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এসময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল সামরিক রীতিতে সম্মান প্রদর্শন করে এবং বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। এরপর তারা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে আয়োজিত বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এবং তিন বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
পিলখানায় নিহত সেনাকর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্য এবং নিকট আত্মীয়রাও ছিলেন বনানীর সামরিক কবরস্থানে।
উল্লেখ্য, আজ পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর পূর্ণ হলো। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদরদপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন তোলে ওই ঘটনা।
সেই বিদ্রোহের পর সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিডিআরের নাম বদলে যায়, পরিবর্তন আসে পোশাকেও। এ বাহিনীর নাম এখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি।
গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গতবছর বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভীষিকাময় ও শোকাবহ এ দিনটি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।
জাতীয় সব খবর














