ফটিকছড়িতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩
ফটিকছড়ি প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার হেঁয়াকো বাজারে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছুরিকাঘাত ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে তিনজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে হেঁয়াকো বাজারের পূর্ব পাশে সিকদারখীল এলাকার ভোজন রসিক হোটেলে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন যুবদল নেতা নাসির উদ্দিন বিপ্লব, তার ভাতিজা রনি এবং তাঁর বিরোধী পক্ষের নেতা নুরুল আমিন আজাদের অনুসারী যুবদলকর্মী ঘোষণা কবির।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে হোটেলে নাসির উদ্দিন বিপ্লব ও ঘোষণা কবিরের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে তা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে তিনজন আহত হন।
স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে প্রথমে রামগড় ও ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তাদের মধ্যে নাসির উদ্দিন বিপ্লব, তার ভাতিজা রনি ও অপর আহত ঘোষণা কবিরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এদিকে সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়লে নাসির উদ্দিন বিপ্লবের সমর্থকেরা রামগড়-বারৈয়ারহাট আঞ্চলিক মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে প্রায় এক ঘণ্টা সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। মহাসড়কের উভয় পাশে যানবাহন আটকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক।
খবর পেয়ে দাঁতমারা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে ভূজপুর থানা-পুলিশও সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উভয় পক্ষকে বুঝিয়ে শান্ত করার পর সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে দাঁতমারা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা প্রথমে ঘটনাস্থলে যান। পরে তিনি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। উভয় পক্ষকে বুঝিয়ে শান্ত করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
চট্টগ্রাম (মহানগর, উত্তর, দক্ষিণ) সব খবর












