অবৈধ সম্পদ অর্জন
সাবেক ইউপি সদস্যের ৪ বছর, বাবার ৩ বছর কারাদণ্ড
সিভয়েস২৪ প্রতিবেদক
মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মো. আব্দুল্লাহকে ৪ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় তাকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তার অভিযোগে তার বাবা আবুল বশরকে ৩ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আব্দুল্লাহকে ৮৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫৮ টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় দেন। রায়ের সময় বাবা-ছেলে আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
দুদকের আইনজীবী মোকাররম হোসাইন বলেন, ‘৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আব্দুল্লাহকে ৪ বছর কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৮৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫৮ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বাবা আবুল বশরকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৭ এপ্রিল আব্দুল্লাহকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেয় দুদক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি। অনুসন্ধানে তার নামে ১ কোটি ১০ লাখ ২৩ হাজার ৬৫ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এর বিপরীতে বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া যায় ১০ লাখ টাকা।
অন্যদিকে, ছেলে আব্দুল্লাহকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তার অভিযোগ আনা হয় আবুল বশরের বিরুদ্ধে। ২০১৬ সালের ২ নভেম্বর ২০ লাখ টাকা দিয়ে একটি জমি কেনেন তিনি। তিন মাসের মধ্যে, ২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ওই জমি বড় ছেলে আব্দুল্লাহকে হেবা করেন।
দুদকের অভিযোগ, বাবা-ছেলে পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ সম্পদ বৈধ করার চেষ্টা করেন। আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অনুসন্ধান শুরু হয়। পরে ২০২০ সালের ১০ আগস্ট চট্টগ্রামের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা করা হয়।
২০২৬ সালের ৩০ জুন বাবা-ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণ শেষে আজ বৃহস্পতিবার আদালত এ রায় দেন।
চট্টগ্রাম (মহানগর, উত্তর, দক্ষিণ) সব খবর












