Cvoice24.com

নাইক্ষ্যংছড়িতে কাঠ ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ, সন্দেহভাজনকে খুঁজছে পুলিশ

উখিয়া- টেকনাফ প্রতিনিধি, সিভয়েস২৪
১৬:০৪, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নাইক্ষ্যংছড়িতে কাঠ ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ, সন্দেহভাজনকে খুঁজছে পুলিশ

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারীতে জাফর আলম বাবুল (৪৫) নামের এক কাঠ ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের লম্বাবিল তিতারপাড়া এলাকায় কেয়াং মন্দিরের সামনে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত জাফর আলম বাবুল লম্বাবিল এলাকার বাসিন্দা। তিনি কাঠ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে বাবুল বাড়ি থেকে বের হন। এরপর রাতে আর বাড়িতে ফেরেননি। শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে স্থানীয়দের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, কেয়াং মন্দিরের সামনে বাবুলের মরদেহ পড়ে আছে।

খবর পেয়ে বাইশারী তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে কোকসিং মার্মা (৩০) নামের একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। মন্দিরের ভেতরে অংকিয় চিং মার্মা নামের আরও একজন অবস্থান করছিলেন বলেও প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বাইশারী এলাকায় মাদক ও জুয়ার প্রবণতা বেড়েছে। এসব কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময় বিরোধের সৃষ্টি হচ্ছে। তাদের কেউ কেউ ধারণা করছেন, জুয়া নিয়ে বিরোধের জের ধরে বাবুলকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, ‘ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে পাওয়া গেছে। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা এখনো নিশ্চিত নয়। হত্যার কারণ ও ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।’

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, ঘটনার সময় এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় তদন্ত চলছে।