উখিয়া-টেকনাফে দুই অভিযানে ৩ লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২
কক্সবাজার প্রতিনিধি
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক দুটি অভিযানে ৩ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা বড়িসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার ভোর ও সকালে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর পালংখালী ও হোয়াইক্যং বিওপির বিশেষ টহল দল এ অভিযান চালায়।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন উখিয়ার এফডিএমএন ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জোনায়েত (২৬) এবং টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মরিরগুনা এলাকার মো. শফিউল আলম (১৮)।
৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ২০ মিনিটের দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পালংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী পালংখালী পানির পয়েন্টের উত্তর পাশে পোগরবুলখালী এলাকায় অভিযান চালায়।
এ সময় মিয়ানমার দিক থেকে লুঙ্গিতে মোড়ানো দুটি পোটলা হাতে এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাঁকে চ্যালেঞ্জ করেন। পালানোর সময় জোনায়েতকে আটক করা হয়। পরে তাঁর হাতে থাকা পোটলা তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ৩১টি কার্টনে ৩ লাখ ১০ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, সকাল ৮টার দিকে হোয়াইক্যং বিওপির বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী কেরেঙ্গোঘোনা পোস্ট-১ এলাকায় নিয়মিত টহলকালে অভিযান চালায়। বিজিবি জানায়, এ সময় জেলের ছদ্মবেশে কারেন্ট জাল হাতে মিয়ানমার দিক থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করা এক যুবককে সন্দেহ হলে তাঁকে চ্যালেঞ্জ করা হয়।
দৌড়ে পালানোর সময় শফিউল আলমকে আটক করা হয়। পরে তাঁর হাতে থাকা কারেন্ট জাল তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের একটি কার্টনে ১০ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। এ সময় একটি মুঠোফোন ও কারেন্ট জালও জব্দ করা হয়।
বিজিবির ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজনই মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে বহন করার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মাদক সরবরাহকারী ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কক্সবাজার সব খবর















