চট্টগ্রামের সাত আসনে জিততে চায় ইসলামিক ফ্রন্ট
মিনহাজ মুহী
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ইসলামিক ফ্রন্টের আসন ভাগাভাগি নিয়ে কোনো কথা হয়নি বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মাওলানা জয়নুল আবেদীন জুবায়ের। তিনি বলেন, ‘আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য হবে বলে প্রধানমন্ত্রী আমাদের কথা দিয়েছেন। তাঁর আশ্বাসেই আমরা নির্বাচন করছি।’
এবারের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের জয়ী করে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে উল্লেখ করে জুবায়ের বলেন, ‘চট্টগ্রামের সাতটি আসনে নিশ্চিত জয়ের আশা করছি। নিশ্চয় আল্লাহ আমাদের সফল করবেন।’
জুবায়ের নিজেও চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-হালিশহর (চট্টগ্রাম-১০) ও বন্দর-পতেঙ্গা (চট্টগ্রাম-১১) আসনে প্রার্থী হয়েছেন। নির্বাচনের মাঠে ইসলামিক ফ্রন্ট কোনো দলকেই ছোট-বড় আলাদা করে দেখছে না। রাজনীতি, আন্দোলন এবং সাংগঠনিক অবস্থানকে কেন্দ্র করেই দলের অবস্থান নিশ্চিত করতে চান বলেও জানান মহাসচিব জুবায়ের।
সিভয়েসের সঙ্গে আলাপকালে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মহাসচিব জয়নুল আবেদীন জুবায়ের আরো বলেন, ‘আমরা সারাদেশে ৪০ আসনে প্রার্থী দিয়েছি। আর চট্টগ্রামে আছেন ১৫ জন।’ তাঁর মতে, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম-২), হাটহাজারী (চট্টগ্রাম-৫), সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম-৪), চান্দগাঁও-বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম-৮), ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-হালিশহর (চট্টগ্রাম-১০), বন্দর-পতেঙ্গা (চট্টগ্রাম-১১) এবং আনোয়ারা-কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম-১৩); এ ৭টি আসনে দলীয় প্রার্থীদের অবস্থান ভালো। তবে দেশের সব আসনেই প্রার্থীদের জয়ী করে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে বলে জানান তিনি।
- সংশ্লিষ্ট খবর: প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে ভোটের মাঠে ইসলামী ফ্রন্ট!
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দলীয় শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের কথা জানিয়ে মাওলানা জুবায়ের বলেন, ‘কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ৯টি ইসলামী দলের বৈঠক হয়েছে। ওই সময় আমাদের সঙ্গেও নির্বাচনী বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। কোনো আসন ভাগাভাগি নিয়ে কথা হয়নি। তবে আমরা নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও অবাধ হয়- সেই ব্যাপারে তাঁর নিশ্চয়তা চেয়েছি। প্রধানমন্ত্রীও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বারবার বলে এসেছি। নির্বাচন কমিশনও বারবার আশ্বাস দিয়েছে সুষ্ঠু নির্বাচনের। যদি সেই আশ্বাস ও বিশ্বাস না রাখি; তাহলে দেশে সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হবে। আশা করি এবার ভালো নির্বাচন হবে।’
৭ জানুয়ারি জনগণকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে এসে নিজেদের ভোট প্রয়োগ করার আহ্বান জানিয়ে ইসলামিক ফ্রন্ট মহাসচিব বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমরা নির্বাচনে আশানুরূপ আসন পাব, ইনশাআল্লাহ।’








