নাইজেরিয়ায় তিন গ্রামে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ৩২
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমে তিনটি গ্রামে মোটরসাইকেলে এসে বন্দুকধারীরা ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত কয়েক ডজন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। হামলায় অগ্নিসংযোগ ও অপহরণের ঘটনাও ঘটেছে। খবর বিবিসি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাইজার অঙ্গরাজ্যের তিনটি গ্রামে শনিবার ভোরের দিকে সশস্ত্র বন্দুকধারীরা গুলি চালিয়ে এবং গলা কেটে অন্তত কিছু ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। হামলাকারীরা বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে আগুন দিয়েছে এবং ‘অজানা’ সংখ্যক মানুষকে অপহরণ করেছে।
ঘটনাস্থলের কাছাকাছি এলাকায় চলতি মাসের শুরুতে একই ধরনের হামলায় শতাধিক ব্যক্তি নিহত হয়েছিল। ওই নিহতদের মধ্যে ছিলেন ‘সন্দেহভাজন জিহাদি’। বিবিসি জানিয়েছে, বহু বছর ধরে ‘দস্যু’ নামে পরিচিত সশস্ত্র অপরাধী চক্রগুলো নাইজেরিয়ায় হামলা ও অপহরণ চালিয়ে আসছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে এ ধরনের ঘটনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
নাইজার অঙ্গরাজ্য পুলিশের মুখপাত্র ওয়াসিউ আবিওদুন নিশ্চিত করেছেন, সর্বশেষ হামলায় তুঙ্গা-মাকেরি গ্রামে ছয়জন নিহত হয়েছেন। তিনি জানান, কিছু বাড়িঘরেও আগুন দেওয়া হয়েছে এবং কতজন অপহরণের শিকার হয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
বিবিসি আরও জানিয়েছে, কনকোসো গ্রামে হামলার সবচেয়ে ভয়াবহ দৃশ্য ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রায় সব বাড়িঘর পুড়ে গেছে এবং চারজন নারীকে অপহরণ করা হয়েছে। এরপর দস্যুরা পিসা গ্রামে গিয়ে একটি পুলিশ স্টেশনে আগুন দিয়েছে এবং একজনকে হত্যা করেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনটি গ্রাম মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা প্রায় ৩২। তবে অন্য বার্তাসংস্থাগুলো অন্তত ৪৬ জন নিহতের তথ্য দিচ্ছে। আশপাশের অন্যান্য গ্রামে হামলার বিস্তারিত এখনো নিশ্চিত নয় এবং মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
নিরাপত্তা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা মোট ৪১টি মোটরসাইকেল ব্যবহার করেছিল, প্রতিটিতে দুই থেকে তিনজন করে সশস্ত্র ব্যক্তি ছিল।
অন্যদেশ সব খবর














