Cvoice24.com

সীতাকুণ্ড থানায় কনস্টেবলের সঙ্গে হাতাহাতি, যুবদল নেতা বহিষ্কার

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি, সিভয়েস২৪
১৬:১২, ২ অক্টোবর ২০২৬
সীতাকুণ্ড থানায় কনস্টেবলের সঙ্গে হাতাহাতি, যুবদল নেতা বহিষ্কার

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড মডেল থানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি মো. ইসমাইল হোসেনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করে।

কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইসমাইল হোসেনকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃত ব্যক্তির কোনো ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না। একই সঙ্গে যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে সীতাকুণ্ড মডেল থানার গেটে গাড়ি পার্কিংকে কেন্দ্র করে ইসমাইল হোসেনের সঙ্গে থানায় কর্মরত কনস্টেবল ও ওসির গাড়িচালক মো. শফিকের কথা-কাটাকাটি হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে এবং এতে শফিক আহত হন। পরে তাকে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম জানান, থানার গেটে গাড়ি রাখা নিয়ে কনস্টেবল শফিকের সঙ্গে ইসমাইল হোসেনের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ইসমাইল হোসেনকে আটক করা হয়েছিল।

পুলিশের দাবি, তাকে আটকের পর ছাড়িয়ে নিতে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা থানায় ভিড় করেন। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তে উপজেলা পর্যায়ের দলীয় নেতাদের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. কমল কদর বলেন, ঘটনাটি সামান্য কথা-কাটাকাটির জেরেই ঘটেছে এবং রাতেই ইসমাইল হোসেনকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়া হয়।

এদিকে যুবদলের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তিতে ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বহিষ্কারের পাশাপাশি দলের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে মো. ইসমাইল হোসেনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।