Cvoice24.com

মিরসরাইয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্র-মুখোশসহ গ্রেপ্তার ৩

মিরসরাই প্রতিনিধি, সিভয়েস২৪
১৬:৪৯, ২ অক্টোবর ২০২৬
মিরসরাইয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্র-মুখোশসহ গ্রেপ্তার ৩

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্র ও মুখোশসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে বারইয়ারহাট-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের করেরহাট ইউনিয়নের গেড়ামারা এলাকার নয়াটিলা মাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন—ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নের রাজনগর এলাকার বেলায়েত হোসেন (৩০), ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর থানার বাগান বাজার ইউনিয়নের রহমতপুর এলাকার আনোয়ার হোসেন (২৩) এবং মিরসরাইয়ের করেরহাট ইউনিয়নের গেড়ামারা এলাকার আলাউদ্দিন ওরফে মামুন (৩৬)।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আলাউদ্দিন ওরফে মামুনের বিরুদ্ধে জোরারগঞ্জ থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি, মাদক ও অস্ত্র আইনে চারটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি সংক্রান্ত একটি মামলাও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

পুলিশ আরও জানায়, সম্প্রতি মিরসরাইয়ের নয়টিলা থেকে কয়লা বাজার পর্যন্ত বারইয়ারহাট-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনা ও উৎপাত বেড়েছে। যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সন্ধ্যার পর থেকে ভোররাত পর্যন্ত ওই এলাকায় ডাকাতি প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের একটি দল নয়াটিলা মাজারের পূর্ব পাশে মহাসড়কের উত্তর পাশের জঙ্গলে অভিযান চালায়। এ সময় সেখানে ১৪ থেকে ১৫ জনের একটি দলকে দেশীয় অস্ত্র ও মুখোশসহ অবস্থান করতে দেখা যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ১০ থেকে ১২ জন পালিয়ে গেলেও তিনজনকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে চারটি লম্বা ছোরা, একটি রামদা ও সাতটি কালো মুখোশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহন থামিয়ে ডাকাতির উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম বলেন, বারইয়ারহাট-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কে যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা শেষে শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে পালিয়ে যাওয়া অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।