Cvoice24.com

উখিয়া সীমান্তে ১ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৩

উখিয়া- টেকনাফ প্রতিনিধি, সিভয়েস২৪
১৬:০২, ৭ আগস্ট ২০২৬
উখিয়া সীমান্তে ১ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৩

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে পৃথক দুটি অভিযানে ১ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযানের একটিতে আটক ব্যক্তিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার সময় এক বিজিবি সদস্যের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেছে বাহিনীটি।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

বিজিবি জানায়, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোয়াইক্যং বিওপির একটি বিশেষ টহল দল উখিয়ার ক্যারেঙ্গাগোনা এলাকায় অবস্থান নেয়। পরে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় দুই ব্যক্তিকে চ্যালেঞ্জ করলে তারা পালানোর চেষ্টা করেন। ধাওয়া করে তাদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— টেকনাফ উপজেলার মনিরঘোনা গ্রামের মো. রাশেদ (২০) এবং উখিয়ার ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মো. আব্দুল্লাহ (২২)। তাদের কাছ থেকে তিনটি পোটলায় থাকা ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা সীমান্ত এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন বলে স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছে বিজিবি।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে নাফ নদীসংলগ্ন কোনাপাড়া বিওপি এলাকায় পৃথক অভিযানে মো. বোরহান উদ্দিন (১৭) নামে এক কিশোরকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবির দাবি, ওই অভিযানের সময় বোরহান উদ্দিনকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন তার মা। এ সময় তিনি নৌকার বৈঠা দিয়ে এক বিজিবি সদস্যকে আঘাত করেন। পরে আশপাশের কয়েকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে এসে বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে আটক ব্যক্তি ও উদ্ধার হওয়া ইয়াবা বিওপিতে নেওয়া হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বোরহান উদ্দিন মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবা এনে একটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সরবরাহের উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন বলে জানিয়েছেন বলে বিজিবি দাবি করেছে।

আটক তিনজনকে উদ্ধার করা ইয়াবাসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম বলেন, মাদক পাচারকারী ও চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।