Cvoice24.com

দুই হাজার আইফোনসহ গ্রেপ্তার ৬ বিদেশি আদালতে

কক্সবাজার প্রতিনিধি
১০:৫৩, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দুই হাজার আইফোনসহ গ্রেপ্তার ৬ বিদেশি আদালতে

কক্সবাজারে প্রায় দুই হাজার আইফোন ও বিপুলসংখ্যক ল্যাপটপসহ গ্রেপ্তার ছয় বিদেশি নাগরিককে আদালতে হাজির করা হয়েছে। অনলাইন প্রতারণা ও সাইবার অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে করা মামলায় অধিকতর তদন্তের স্বার্থে তাদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করতে পারে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল নয়টার দিকে ছয় বিদেশি নাগরিককে কক্সবাজার আদালতে নেওয়া হয়। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাদের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস এম গিয়াস উদ্দিনের আদালতে হাজির করা হয়।

মামলার তদন্তকারী সংস্থা সিআইডির পক্ষ থেকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে রিমান্ডের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন আদালত।

এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে কক্সবাজার শহরের হোটেল সি-প্যালেসে অভিযান চালিয়ে ছয় বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯৩৮টি আইফোন, কয়েক ডজন ল্যাপটপ এবং বিভিন্ন যোগাযোগ সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন চীনের এবং একজন তাইওয়ানের নাগরিক।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, রামু থানায় করা একটি অভিযোগ এবং ঢাকার পুলিশের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই অভিযান চালানো হয়। পরে অনলাইন প্রতারণা ও সাইবার অপরাধের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলায় আরও কয়েক শ বিদেশি নাগরিককে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

মামলাটি প্রথমে রামু থানার পুলিশ তদন্ত করলেও পরে অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিপুলসংখ্যক আইফোন ও অন্যান্য ডিভাইস কেন একসঙ্গে তাদের কাছে ছিল, এসব ডিভাইস কী কাজে ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে কোনো ধরনের অনলাইন প্রতারণা বা সাইবার অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ ছাড়া তাদের অনলাইন কার্যক্রম, ব্যবহৃত ডিভাইস, যোগাযোগের মাধ্যম এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করতে চায় তদন্ত সংস্থা। এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলে মনে করছে সিআইডি।

এর আগে আদালতের নির্দেশে গ্রেপ্তার ছয় বিদেশিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। এখন অধিকতর তদন্তের স্বার্থে তাদের রিমান্ডে নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে তদন্ত সংস্থা।