হিমছড়িতে একাধিক দোকানে ডাকাতি, সন্দেহভাজনকে পিটিয়ে হাসপাতালে
উখিয়া-টেকনাফ প্রতিনিধি, সিভয়েস২৪
কক্সবাজারের হিমছড়িতে কয়েকটি দোকান ও প্রতিষ্ঠানে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ডাকাত সন্দেহে সুলতান মোহাম্মদ (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে মারধর করেন স্থানীয় লোকজন। পরে আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার সঙ্গে থাকা অন্য ব্যক্তিরা পালিয়ে গেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এসব স্থানে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মুঠোফোন লুটের অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি হিমছড়ি এলাকার কয়েকটি দোকান ও প্রতিষ্ঠানে ঢুকে ভাঙচুর ও লুটপাট চালান। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন একত্র হয়ে তাদের ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে সুলতান মোহাম্মদকে আটক করা হয়। তবে তার সঙ্গে থাকা অন্যরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে মারধর করেন।
সুলতান মোহাম্মদ কক্সবাজার সদর উপজেলার লিংক রোড কলেজ গেট এলাকার সুরত আলম লিডার পাড়ার বাসিন্দা। তার বাবা মিয়া হোসেন এবং মা নুর জাহান।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় লোকজনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় জালাল আহমেদের ৪০ হাজার টাকা, রহিম মোল্লার সাত আনা স্বর্ণালংকার ও একটি মুঠোফোন এবং দেলোয়ার হোসেনের ৩২ হাজার টাকা, একটি মুঠোফোন ও ছয় আনা স্বর্ণালংকার লুট হয়েছে।
এ ছাড়া ফকির আহমেদের দুই হাজার টাকা ও একটি মুঠোফোন, হাসিম মোল্লার ৯৮ হাজার টাকা ও একটি মুঠোফোন এবং রাবানীয়া জামে মসজিদের তহবিলের ১২ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ রয়েছে। আবুল হাসেমের দোকান থেকেও বিভিন্ন মালামাল, চার আনা স্বর্ণালংকার ও ২৪ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় লোকজন।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় লোকজন ডাকাত সন্দেহে এক ব্যক্তিকে মারধর করেছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কক্সবাজার সব খবর














