Cvoice24.com

তারেক রহমানের নেতৃত্বে শপথ নিলেন বিএনপি এমপিরা

সিভয়েস২৪ ডেস্ক
১১:০১, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
তারেক রহমানের নেতৃত্বে শপথ নিলেন বিএনপি এমপিরা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর শপথ নিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবন–এর শপথকক্ষে তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।

সংবিধান অনুযায়ী বিদায়ী স্পিকার শপথ পড়াতে অপারগ হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ দায়িত্ব পালন করেন। বিদায়ী স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করায় এবং ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু কারাবন্দী থাকায় সিইসি শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ত্রয়োদশ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।

দলীয় সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৩০ জন শপথ নিতে পারেন।

সকালের শপথ শেষে বিএনপি ও তাদের জোটসঙ্গীরা পৃথক বৈঠকে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবেন। বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দলটির সংসদীয় দলের নেতা হিসেবে তারেক রহমানকেই নির্বাচন করা হবে। এরপর রাষ্ট্রপতি তাঁকে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানাবেন।

সংসদীয় দলের বৈঠকে উপনেতা, চিফ হুইপ ও ছয়জন হুইপও নির্বাচিত হওয়ার কথা রয়েছে। উপনেতা হিসেবে সালাহউদ্দিন আহমেদের নাম আলোচনায় রয়েছে।

৩০০ আসনের সংসদে ২৯৯ আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও দুটি আসনের গেজেট প্রকাশ স্থগিত রয়েছে—চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪। শেরপুর-৩ আসনে এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট হয়নি। গেজেটভুক্ত ২৯৬ জন এমপির শপথ আজ অনুষ্ঠিত হয়।

তারেক রহমান ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬—দুটি আসনে জয়ী হন। নিয়ম অনুযায়ী তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দিয়েছেন এবং ঢাকা-১৭ আসনের এমপি হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

বিএনপি সংসদীয় দলের সভায় জোটের শরিক দলগুলোর কয়েকজন এমপিকে আমন্ত্রণ জানাতে পারে। এর মধ্যে রয়েছেন আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি ও নুরুল হক নুর। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

অন্যদিকে, বিরোধী দলে বসতে যাওয়া জামায়াত জোটও তাদের সংসদীয় দলের বৈঠকে নেতা, উপনেতা ও হুইপ নির্বাচন করবে। বিরোধীদলীয় নেতা মন্ত্রীর মর্যাদা ভোগ করেন।