উখিয়ার রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ মরদেহের পরিচয় শনাক্ত, মুক্তার সন্ধানে তল্লাশি
উখিয়া-টেকনাফ প্রতিনিধি, সিভয়েস২৪
কক্সবাজারের উখিয়ার পাটুয়ারটেকে টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্ধার হওয়া ১০ জনের মরদেহের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার (২৭) ডিএনএ নমুনার সঙ্গে উদ্ধার হওয়া কোনো মরদেহের নমুনার মিল পাওয়া যায়নি। ফলে এখনো তার সন্ধান মেলেনি।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল থেকে নিখোঁজ মুক্তার সন্ধানে রিসোর্ট এলাকায় আবারও তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
এ বিষয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, নিখোঁজ একজনের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
গত ১৭ অক্টোবর সকালে উখিয়ার পাটুয়ারটেকে মেরিন ড্রাইভ-সংলগ্ন তিনতলা টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনের পর ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শুরুতে নিখোঁজের তালিকায় ছিলেন ১১ জন। পরে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ১০ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। তবে নিখোঁজদের তালিকায় থাকা মুক্তার সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি।
ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকার শ্যামলী এলাকার একই পরিবারের মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬)।
এ ছাড়া ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকার আরেক পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের মধ্যে মৌলিহা মেহজাবিন আলভী (১৯), লায়লা জাহান নাবিলা (২৫), ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩), ফারিয়ার ছয় বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর এবং ফারিয়ার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামী (২৪) রয়েছেন।
নিখোঁজ নাসরিন আক্তার মুক্তা আশুলিয়ার ‘স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের’ শিক্ষিকা। ঘটনার সময় তিনি দুই বান্ধবীকে নিয়ে রিসোর্টে বেড়াতে গিয়েছিলেন। তাঁর বান্ধবীরা রিসোর্ট থেকে বের হতে পারলেও মুক্তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় অবহেলার অভিযোগে ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি রিসোর্টের মালিক মোহাম্মদ তানভীর সুলতান মিয়া ও অপর মালিক নেওয়াজ মোর্শেদ পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. জাহিদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কক্সবাজার সব খবর















