ইরানে মার্কিন হামলার পর জর্ডান-কাতারে পাল্টা জবাব তেহরানের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। একদিকে ইরানের প্রায় ১৪০টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, জর্ডান ও কাতারে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, এক রাতের অভিযানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটি, নৌ সক্ষমতা, গোলাবারুদ মজুতকেন্দ্র, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্রসহ প্রায় ১৪০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।
সেন্টকমের ভাষ্য, চলতি সপ্তাহে তিন দফা অভিযানে ৩০০টিরও বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে মে মাসের শুরু থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ৮০০টির বেশি বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছে মার্কিন বাহিনী।
অন্যদিকে, আইআরজিসি জানিয়েছে, জর্ডানের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটি এবং কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, হামলায় কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, এমকিউ-৯ ড্রোন হ্যাঙ্গার এবং বিমান রক্ষণাবেক্ষণ স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
তবে কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির আকাশসীমার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে দুই দেশের অবস্থান আরও কঠোর হয়েছে। ইরান বলেছে, অনুমোদনহীন পথে চলাচলের চেষ্টা করা কয়েকটি জাহাজকে সতর্ক করা হয়েছিল। একই সঙ্গে মার্কিন হস্তক্ষেপ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে আইআরজিসি।
এর জবাবে সেন্টকম জানিয়েছে, আইআরজিসির ওই ঘোষণার প্রায় এক ঘণ্টা পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে হামলা শুরু হয়। তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
অন্যদেশ সব খবর















