Cvoice24.com

ইউসিবিএলের ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ-পাচার
জাবেদসহ ৩৬ জনের মামলায় ৫৫ সাক্ষীর সাক্ষ্য

সিভয়েস২৪ প্রতিবেদক
১৫:৪২, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাবেদসহ ৩৬ জনের মামলায় ৫৫ সাক্ষীর সাক্ষ্য

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবিএল) ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় আরও চার সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। এ নিয়ে মামলাটিতে মোট ৫৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ হয়।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোকাররম হোসাইন বলেন, ‘সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা ২৫ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় রোববার দুদকের পক্ষ থেকে চারজন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়। তাদের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে। এ নিয়ে মামলায় মোট ৫৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। আগামী ৪ অক্টোবর মামলার পরবর্তী সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।’

মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী, আরামিট গ্রুপের প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ ফরমান উল্লাহ চৌধুরীকে ‘ভিশন ট্রেডিং’ নামে একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের মালিক সাজিয়ে ইউসিবিএল থেকে ২৫ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করা হয়। পরে ওই টাকা উত্তোলন করে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করে সম্পত্তি কেনার অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। অভিযোগপত্রে ৯২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তার স্ত্রী ইউসিবিএল ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান রুকমীলা জামান, সাবেক পরিচালক আসিফুজ্জামান চৌধুরী ও রোকসানা জামান চৌধুরী। এছাড়া ইউসিবিএলের সাবেক পরিচালক, কর্মকর্তা এবং জাবেদের পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আরামিট গ্রুপের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও আসামি করা হয়েছে।

দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই জাবেদ ও তার স্ত্রীসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়। ওই ৩১ আসামির মধ্যে দুজন মারা যাওয়ায় তাদের বিচারিক কার্যক্রম থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। তদন্তে পাওয়া আরও সাতজনসহ মোট ৩৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।