চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে থাকা বিপজ্জনক রাসায়নিক ধ্বংস হবে রূপগঞ্জে
সিভয়েস২৪ প্রতিবেদক
২০০৩ সাল থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে থাকা ৯টি কনটেইনারের ১৫০ দশমিক ৮৯ মেট্রিক টন বিপজ্জনক রাসায়নিক ধ্বংসের জন্য নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের মুড়াপাড়ায় নেওয়া হচ্ছে।
শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ধ্বংস কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে বিপজ্জনক রাসায়নিকবাহী গাড়িগুলো পুলিশি পাহারায় ধ্বংসের জন্য ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেডের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে।
কাস্টমস হাউস চট্টগ্রামের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন বন্দরে পড়ে থাকা মেয়াদোত্তীর্ণ ও ব্যবহার অনুপযোগী এসব রাসায়নিক পরিবেশবান্ধব ও নিয়মানুগ পদ্ধতিতে ধ্বংস করা হবে। বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের সুপারিশ এবং কাস্টমস হাউস চট্টগ্রামের ধ্বংস কমিটির উদ্যোগে রূপগঞ্জের মুড়াপাড়ায় ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেডের মাধ্যমে এ ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
সহকারী কমিশনার রাসেল বলেন, ‘৯টি কনটেইনারের মধ্যে ১টিতে ২৫ দশমিক ৫৫ মেট্রিক টন সালফিউরিক অ্যাসিড, ১টিতে ৫০০ কেজি নাইট্রিক অ্যাসিড, ৫টিতে ৯২ দশমিক ৫৪ মেট্রিক টন মিথানল এবং ২টিতে ৩২ দশমিক ৩০ মেট্রিক টন থিনার রয়েছে। বিপজ্জনক এসব রাসায়নিক পরিবহনে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, বিস্ফোরক অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর ও আনসার ব্যাটালিয়ন নিরাপত্তাসহ সার্বিক সহায়তা দিচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও কনটেইনার জট কমাতে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা এসব বিপজ্জনক রাসায়নিক ধ্বংসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে বন্দরের পি শেডে পড়ে থাকা ২০ বছরের পুরোনো ২৫ টন বিপজ্জনক রাসায়নিক সিলেটের সুনামগঞ্জের লাফার্জ হোলসিম সিমেন্ট কারখানায় পাঠানো হয়েছিল। এছাড়া ২৪ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করা বিভিন্ন মেয়াদোত্তীর্ণ ও নষ্ট পণ্যভর্তি ১২৬ কনটেইনার ধ্বংস করে কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ।
অর্থ-বাণিজ্য সব খবর















