Cvoice24.com

চবিতে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

চবি প্রতিনিধি, সিভয়েস২৪
১৮:০৯, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চবিতে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শাখা ছাত্রদল। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে সুপারিশের মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া সিট বাতিল করে মেধার ভিত্তিতে আসন বণ্টনের দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে কাটাপাহাড় সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

মিছিল থেকে ‘নাম দিয়েছে ইসলামী, করে শুধু ভণ্ডামি’, ‘গুপ্তদের ঠিকানা, এ ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘ছাত্রদলের অঙ্গীকার, নিরাপদ ক্যাম্পাস’ এবং ‘গুপ্তদের আস্তানা, জ্বালিয়ে দাও, পুড়িয়ে দাও’—ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া হয়।

এতে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াসিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয়সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ক্যাম্পাসের সব আবাসিক হলকে ‘গুপ্তমুক্ত’ করতে হবে। সুপারিশের মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া সব সিট বাতিল করে মেধার ভিত্তিতে আসন বণ্টন করতে হবে। অন্যথায় প্রয়োজনে লাগাতার আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৬৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়োগের বিষয়ে নতুন করে তদন্ত কমিটি গঠন করে তদন্ত করতে হবে। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যোগ্যদের চাকরি বহাল এবং অযোগ্যদের চাকরিচ্যুত করার দাবি জানান তিনি।

এ ছাড়া জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের নিয়োগ বাতিলের দাবিও জানান ছাত্রদলের এই নেতা।

সমাবেশে সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় অভিযোগ করেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে ছাত্রশিবির ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হল নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। ছাত্রলীগের সাবেক নেতা-কর্মীদের শিবিরের কর্মী ও সাথী বানিয়ে হলে অবস্থানের সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ ক্ষেত্রে শিবির ও জামায়াতপন্থী হল প্রভোস্টরা সহযোগিতা করেছেন বলে দাবি করেন সাজ্জাদ হোসেন।