Cvoice24.com

বদলি নেমে ইব্রাহিমের গোল, অবাক কোচ ডুলি

ক্রীড়া ডেস্ক, সিভয়েস২৪
১০:১৬, ৬ নভেম্বর ২০২৬
বদলি নেমে ইব্রাহিমের গোল, অবাক কোচ ডুলি

শুরুর একাদশে ছিলেন না ইব্রাহিম। ডিফেন্ডার থেকে স্ট্রাইকার বনে যাওয়া বিশ্বনাথের বদলি হিসেবে ম্যাচের ৬৫ মিনিটে ফর্টিস এফসির এই ফুটবলারকে মাঠে নামান কোচ থমাস ডুলি। মাঠে নামার মাত্র তিন মিনিট পরই গোল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন ইব্রাহিম। শেষ পর্যন্ত তার সেই গোলই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। তবে এমন ফলাফলে কিছুটা অবাক হয়েছেন বাংলাদেশের কোচও।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে থমাস ডুলি বলেন, ‘ম্যাচের একপর্যায়ে দৌড়াতে দৌড়াতে বিশ্বনাথ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। বক্সের আশপাশে বল ধরে রাখতে পারে, এমন একজন খেলোয়াড়ের প্রয়োজন ছিল। তাই বিশ্বনাথকে তুলে ইব্রাহিমকে ১০ নম্বর পজিশনে এবং সামিতকে একেবারে ওপরের দিকে খেলানোর পরিকল্পনা করি। চেয়েছিলাম, সামিত যেন গোলের সামনে কিছুটা শক্তি সঞ্চয় করে হেডের মাধ্যমে গোল করার চেষ্টা করতে পারে। আমি ভাবিনি ইব্রাহিম নিজেই গোল করে বসবে। ভেবেছিলাম, সে হয়তো কাউকে দিয়ে গোল করাবে। তবে ভালো ফুটবলাররা এমন মুহূর্ত তৈরি করতে পারে।’

অন্যদিকে, বিশ্বনাথ একজন পরীক্ষিত ডিফেন্ডার। অথচ তাকেই খেলতে হচ্ছে স্ট্রাইকারের ভূমিকায়। তাকে এমন পজিশনে খেলানোর ব্যাখ্যায় বাংলাদেশ কোচ বলেন, ‘বিশ্বনাথ খেলার সময় খুবই আক্রমণাত্মক ও তীব্র থাকে। সেন্ট্রাল ডিফেন্সে তাকে খেলালে পেনাল্টি কিংবা কার্ডের ঝুঁকি থাকে। আমি ভেবেছিলাম, রাইট ব্যাক পজিশনে সে ভালো বিকল্প হতে পারে। তবে সেখানেও তাকে মাঝেমধ্যে বক্সে যেতে হয়। ফরোয়ার্ড বা নম্বর নাইন পজিশনে চোট পাওয়ার আশঙ্কা থাকে, কিন্তু বিশ্বনাথ এসব নিয়ে ভয় পায় না। আশা করেছিলাম, সে গোল পাবে। দুর্ভাগ্যবশত তা হয়নি। তবে তার পারফরম্যান্সে আমি সন্তুষ্ট।’

এদিকে, ম্যাচের আগে শেষ মুহূর্তে অধিনায়ক তপু বর্মণের ছিটকে যাওয়া প্রসঙ্গে ডুলি বলেন, ‘ওয়ার্মআপে নামার পর সে অস্বস্তি বোধ করে। তার ফিটনেস ৫০-৫০ ছিল। খেলতে হলে শতভাগ ফিট, অথবা অন্তত ৮০ শতাংশ ফিট থাকতে হবে।’